\

দ্বিগুণ সক্ষমতা নিয়ে উৎপাদন শুরু করেছে ৬৭টি ট্যানারি

চামড়া নষ্ট হবে না, দূষণের শঙ্কা

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭ | ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ | 551 বার

চামড়া নষ্ট হবে না, দূষণের শঙ্কা

সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়াশিল্প নগরের সব কারখানা চালু না হলেও এবারের ঈদুল আজহায় কোরবানি হওয়া পশুর চামড়া নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হবে না। কারণ, এখন পর্যন্ত যে ৬৭টি ট্যানারি চামড়া প্রক্রিয়াকরণ শুরু করেছে, সেগুলোর উৎপাদনক্ষমতা হাজারীবাগের সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ।
ট্যানারির মালিকেরা জানান, নতুন করে শুরু করার সময় তাঁরা কারখানার উৎপাদনক্ষমতা অনেক বাড়িয়েছেন। ফলে প্রক্রিয়াকরণ করতে না পেরে চামড়া নষ্টের ঘটনা ঘটবে না। তবে তাঁদের দুশ্চিন্তা বর্জ্য নিয়ে। কোরবানির সময় ট্যানারিতে যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হবে, তার যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য চামড়াশিল্প নগর মোটেও প্রস্তুত নয়।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে, গত বছর কোরবানিতে জবাইযোগ্য পশু ছিল প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ছিল প্রায় ৩৩ লাখ। বাকিটা ছাগল, খাসি, ভেড়াসহ অন্যান্য পশু।
গত এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে হাজারীবাগের ট্যানারির সেবাসংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে তাদের সাভারের চামড়াশিল্প নগরে স্থানান্তরে বাধ্য করা হয়। যদিও প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, চামড়াশিল্প নগর এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।
হাজারীবাগের ২০৫টি ট্যানারির মধ্যে ১৫৫টি ট্যানারি নতুন চামড়াশিল্প নগরে জমি পেয়েছে। তবে বরাদ্দ বাতিল ও দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ায় সাভারে স্থানান্তর হওয়ার কথা মূলত ১৫১টি ট্যানারির। এর মধ্যে ৬৭টি ট্যানারি ইতিমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে। এসব ট্যানারির উৎপাদনক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি। আসছে ঈদের আগে আরও কয়েকটি ট্যানারি উৎপাদনে যাওয়ার চেষ্টা করছে
তবে উৎপাদন শুরু করলেও বেশির ভাগ ট্যানারি শুধু কারখানার ওয়েট ব্লু (পরিশোধনের প্রাথমিক পর্ব) অংশ চালু করতে পেরেছে। চূড়ান্ত প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত যেতে কারখানায় আরও কয়েকটি ধাপ চালু করতে হবে।

বিষয় :

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

Development by: webnewsdesign.com